লেখা তরজমা

বাংলাদেশের রাজনীতি, নেতা এবং ভবিষ্যৎ

বাংলাদেশের পঞ্চাশ-ষাটোর্ধ্ব রাজনীতিবিদদের উপর বিশ্বাস রাখাটা আত্মহত্যার মতই। বর্তমান পরিস্থিতিতে এইটা আরোও ক্লিয়ারলি ভিজিবল হচ্ছে। স্বচ্ছ আকাশে সূর্যরশ্মির মত, আপনি তাকাইতে না চাইলেও চোখে আইসা লাগবেই। 

এদের রাজনীতি, বেড়ে উঠার সমসাময়িক কালচারটাই এরকম। রাজনীতি করতে লাগে মুখের বুলি, নির্বাচনে জিততে লাগে ভোটের আগের রাতে ভোটারকে দেওয়া ৫০০ টাকা, আর দেশ চালাইতে লাগে ভারতের পাচাটা। এইগুলা এনসিউর হলেই তারা কেল্লাফতে, একদম বর্তে যায়। 

যেহেতু ভোটে জিততে জনসমর্থন আর কাজের চাইতে টাকাটাই মূখ্য, তাই জনসাধারণের প্রতি দায়বদ্ধতার জায়গাটা ম্যাগনিফায়িং গ্লাস দিয়েও খুঁজে পাওয়া যায় না। তাই একইভাবে বাংলাদেশে সবচেয়ে দূর্বল সেক্টর হল নাগরিক সেবা, আল্লাহপাকের রহমতে, করুণায় চলতেসে, চলতে থাকুক। তাই স্বচ্ছ জনসমর্থনের চাইতে খ্যাপাটে, উত্তেজিত জনসমর্থন এদের পছন্দ। একইসাথে রাজনৈতিক ইস্যু মীমাংসার চাইতে ঝুলিয়ে রাখা এদের পছন্দ। 

আপনি আরোও অবাক হবেন যে, এরা সারাদিন মতাদর্শ নিয়ে দ্বন্দ্বের পসরা সাজাবে অথচ জনসমর্থন বুঝার বেলায় সবাই এক হয়ে যাবে। এই এক অদ্ভুত একতা, সবাই একত্রে জনগণকে চ্যাটের বাল ঘোষণা দিয়ে রাজনীতি করতে বদ্ধপরিকর। 

বাংলাদেশের রাজনীতির ভবিষ্যত তরুণদের হাতেই। তাই আমাদের প্রতি একান্ত অনুরোধ থাকবে বেশী করে রাজনীতি ভাবুন, রাজনীতি করুন। বুড়ারা আপনাকে জাস্ট রাস্তার আরেকটা পতিত লাশ মনে করে, যার উপর পাড়া দিয়ে তারা জাস্ট ক্ষমতায় বসতে চায়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ