লেখা তরজমা

আ ফাইট এগেইনস্ট হিন্দুত্ববাদ

উপমহাদেশের মূল লড়াই হচ্ছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাস বনাম অন্যান্য, এইটাকে মেনে নিয়েই বাকি সব কথা। নতুন বাংলাদেশের ধারক-বাহকদেরও এই কথাকে অকাট্য ধরে রাজনীতিতে আসতে হবে। যতদিন বর্তমান ভারত ভেঙে কয়েক টুকরা না হবে ততদিন এই লড়াই ফ্রন্টে চলবে। 

বরাবরের মতই ইতিহাসকে মনে করায়ে দিই। আজকের শহীদ সাইফুল ইসলাম আলিফ থেকে আবরার ফাহাদ, আরোও পিছনে গিয়ে শহীদ নাজির আহমাদ, ২১-২২ এর মোদীবিরোধী আন্দোলনে রাস্তায় গুলি খাওয়া শত শত হুজুর, মাদরাসার ছাত্র, সাধারণ মানুষ, সবাই তো এটারই শিকার হয়েছে। সবাই তো ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে জানবাজী রেখেছিল। সাকা চৌধুরী থেকে শুরু করে সাঈদী, মেজর জেনারেল জিয়া হয়ে সাইফুল আজম, সবাই একই পথে হেঁটেছিলেন। 

শহীদ নাজির আহমেদকে সবার চেনার কথা না। আজকের নাজিরাবাজার এলাকাটা তারই নামে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের ছাত্র ছিলেন। ১৯৪৩ সালের ০২ই ফেব্রুয়ারী উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছিলেন। এই পথের প্রথম শহীদ হিসেবে হয়ত তারই নাম আসবে। কমেন্টে বাকি কিছুটা ইতিহাস দেওয়া থাকল। 

এই লড়াইটা কয়েকশত বছরের দীর্ঘ। এরপরেও এই নতুন বাংলাদেশে দারুণ সুযোগ পেয়েও সব ধরণের সন্ত্রাসবাদকে নির্মূলের বদলে তাদেরকে সমাজে সহাবস্থান দেওয়ার ব্যাপারে বিজ্ঞ(!) রাজনীতিবিদগণ একাট্টা হয়ে পড়ে, কে কার চেয়ে বেশী দালালী করবে তা দেখাতে ব্যতিব্যস্ত হয়, সময়টিভি, ট্রিবিউনদ্বয়, প্রথম আলোর পত্রিকাগুলো নিজেদের বেঈমানীর দাগ রাখঢাক না করেই জোরেশোরে প্রকাশ করতে থাকে, তারা ভাসুরের নাম মুখে নিতে চায় না। এই দেশ, এই বাংলার জমিন, বাংলার কাদামাটি, পানি, ধুলাবালি সব টিকে আছে ওই চাষাভূষা মুসলমানের পোলার জন্যই। তারই দায় সবকিছুর, মাইর খেলেও দায় তার, মরলে তো কথাই নাই!

আমি এখনো দেখতে আগ্রহী যে আজকের পরেও বাংলাদেশের বিজ্ঞ(!) নেতাগণ কিভাবে পতিত ফ্যাসিস্টের ভ্যানগার্ডদের সমাজে প্রতিষ্ঠিত রাখার জন্য কার্যক্রম চালায়। 

আমার বাংলাদেশ না সিকিম হবে, না হবে হায়দরাবাদ। আমরা রক্তের শেষবিন্দুতক লড়ে যাব। আমরা বাংলার ধূলিকণাকেও ওদের জন্য হারাম ঘোষণা দিয়েছি বহু আগেই। বাংলাদেশের পানি খেয়েও যারা পতিত ফ্যাসিস্ট, জাতীয় শত্রু ভারতের সাথে সহবাসে যাবে, প্রতিবেশীসূলভ সতর্কতামূলক আচরণের জায়গায় বন্ধুত্বপূর্ণ পাচাটা আচরণের বাণী দেবে, তাদের জন্যও রইল আগাম হুশিয়ারী।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ