লেখা তরজমা

বন্ধুত্ত্বের কথা

নবম-দশম শ্রেণীতে খ্যাতিমান সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর "সাঁকোটা দুলছে"নামে একটি কবিতা ছিল।ছিল বলছি এই কারণে বর্তমান বইয়ে কবিতাটি রাখা হয়নি।১৯৪৭ এর ভারত বিভাগের পটভূমিকায় কবিতাটি রচিত হলেও এর বিশাল একটি অংশ জুড়ে রয়েছে বন্ধুর জন্য আক্ষেপ,বন্ধুর জন্য অকৃত্রিম ভালোবাসার উপাখ্যান।
বন্ধুত্ত্ব ব্যাপারটা খুবই সরল।দুইজনের মনের মিল কিংবা আইডিয়াগত মিল থাকলেই বন্ধু হওয়া যায়।বন্ধু হবার কোনো কারণও থাকেনা মাঝে মাঝে কিংবা স্বার্থ রক্ষার জন্যও বন্ধুত্ত্ব গড়ে উঠে।আসলে ব্যাপারটা খুবই সরল।এটি একটি বন্ধন যার মাধ্যমে তুমি একজনকে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতিতে আবদ্ধ হও কিছুদিনের জন্য হলেও।এই বন্ধন একজনকে সাহায্য করে তার পাশে তার বিপদেও কেউ থাকবে এটি বুঝাতে।এটি এই উপলব্ধি দেয় তুমি একা নও,কেউ আছে তোমার পাশে।বাবা-মা একজন মানুষের সবচেয়ে বড় বন্ধু।প্রত্যেকটি বিপদে কিংবা সুখের সময়ে বাবা - মা হচ্ছে সন্তানের শেষ আশ্রয়স্থল।বন্ধুর স্থান সবসময় বাবা-মার পরে। বন্ধুত্ত্বের মাঝে হাসি,কান্না সবকিছুই বিদ্যমান, কিন্তু সবচেয়ে বেশী যেটা হয় সেটা অভাবহীনতা।

বন্ধুরা সব ভালো থাকিস,মাঝে মাঝে অনুভব করিস কিন্তু প্লিজ ভুল বুঝিস না।

#হঠাৎ_চিন্তা

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ